পানি খেলে কি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে
নরম, কোমল ও উজ্জ্বল ত্বক কে না চায়। কিন্তু পরিবেশ দূষণ, জীবন যাপন আর খাদ্যাভ্যাসের কারণে অনেক সময় ত্বক মলিন হয়ে যায়। অনেকের ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই কম ফর্সা। তাঁরা ত্বক উজ্জ্বল করতে চান। আজ আমরা একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে জানব, পানি খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে কি না।
এনটিভির নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে স্কিন ব্রাইটেনিংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন রেডিয়েন্স লেজার ক্লিনিকে চর্মরোগ বিভাগের চিফ কনসালটেন্ট ডা. জাহিদা নাসরিন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ডা. সামিউল আউয়াল স্বাক্ষর।
গ্লুটাথিয়নের যে ব্যবহার করছেন, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ছে, সে ক্ষেত্রে এর পেছনে কত খরচ হয় সাধারণত, সঞ্চালকের এ কথা জবাবে ডা. জাহিদা নাসরিন বলেন, গ্লুটাথিয়ন অবশ্যই একটি এক্সপেনসিভ ট্রিটমেন্ট। ডিপেন্ড করে স্কিনের কন্ডিশনের ওপর।
রোগীদের একজন গ্লুটাথিয়ন ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পরে কত দিন পর্যন্ত স্থায়িত্ব থাকতে পারে, সঞ্চালকের এ কথা জবাবে ডা. জাহিদা নাসরিন বলেন, স্থায়িত্ব বলতে পেশেন্টকে গ্লুটাথিয়ন ট্রিটমেন্টের যে প্যাকেজগুলো আমরা অ্যাডভাইজ করে থাকি, একবার ট্রিটমেন্ট সেশন বা একটি প্যাকেজ কমপ্লিট করার পরে সে চাইলে ছয় থেকে আট মাসের একটা গ্যাপ দিতে পারে। কারণ, শরীরে গ্লুটাথিয়ন ছয় থেকে আট মাস পর্যন্ত অ্যাকটিভ থাকে। এরপর বডিতে এটা অ্যাবজর্ব হয়ে যায়। সে যদি ছয় থেকে আট মাস পরে ট্রিটমেন্টটাকে রিপিট করে, সে ক্ষেত্রে আগের চাইতেও সে স্কিন টোনটাকে ইমপ্রুভ পাচ্ছে। এটা হচ্ছে সুবিধা। আর সে যদি চায় স্টপ করে দিতে, সে ক্ষেত্রেও কোনও প্রবলেম নেই।
ত্বকের উজ্জ্বলতায় পানির ভূমিকা কতটুকু। কারণ, অনেকেই যেটি বলে থাকেন পানি খেলে স্কিন গ্লো করে। সে বিষয়টি সত্য কি না, অবশ্যই। প্রপারলি যদি স্কিনের হাইড্রেশন মেইনটেইন না করা হয়, স্কিন যদি ডিহাইড্রেটেড থাকে, তাহলে ত্বকের যে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা, সেটাও হারিয়ে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। তো প্রতিদিন ৭২ কিলো একজন মানুষের মিনিমাম ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি খাওয়া উচিত। এটা হচ্ছে স্বাভাবিক। তো প্রচুর পানি ও রসাল ফল প্রতিদিন ইনটেক করতে হবে।
ত্বক ফর্সাকরণ সম্পর্কে আরও জানতে উপর্যুক্ত ভিডিওতে ক্লিক করুন। এ ছাড়া স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এনটিভি হেলথ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।