কেন এত কম বোলিং করছেন সাকিব?

গ্রুপপর্বে দুর্দান্ত পারফর্ম করা বাংলাদেশ সুপার এইটে এসেই খেই হারাল। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটাররা কিছুটা লড়াই করার মতো পুঁজি দাঁড় করালেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন বোলাররা। এমন হারে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে কেন আক্রমণে আনলেন না অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত।
শুধু অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ নয় পুরো বিশ্বকাপজুড়েই কম বোলিং করতে দেখা গেছে সাকিবকে। নেপাল ম্যাচ বাদে আর কোনো ম্যাচেই ৪ ওভারের পূর্ণ কোটা পূরণ করেননি তিনি। বিশ্বকাপে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচসহ চার খেলায় ১২.২ ওভার বল করে ৭৪ রান দিয়েছেন সাকিব। নিয়েছেন মাত্র দুই উইকেট। যা সাকিবের মতো বিশ্বসেরা বোলারের সঙ্গে অনেকটাই বেমানান। কেন এত কম বোলিং করছেন সাকিব? সেই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় ভক্তরাও।
গ্রুপপর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৩ ওভারে ৩০ রান খরচ করলেও উইকেটের দেখা পাননি সাকিব। ব্যাট হাতে করেছেন ৮ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ১ ওভার বল করে ৬ রান দিয়ে কোনো উইকেটের দেখা পাননি সাকিব। ব্যাট হাতে করেন ৪ বলে ৩ রান।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৬৪ রানের ইনিংস খেলে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেন সাকিব। শুধু এই ম্যাচেই বোলিংয়ের কোটা পূরণ করেন সাকিব। ৪ ওভারে ২৯ রান খরচ করলেও থাকতে হয় উইকেটশূণ্য। নেপালের বিপক্ষে সুপার এইট নিশ্চিতের ম্যাচে ২২ বলে করেন ১৭ রান। আর বল হাতে ২.২ ওভারে ৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে ১০ বলে ৮ রান করলেও বল হাতে দেখা যায়নি সাকিবকে। যা কিছুটা বিস্মিত করেছে ভক্তদের। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অন্যতম সফল বোলার তিনি। পাশাপাশি দল হিসেবে ভালো করতে হলে যে প্রয়োজন সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স। অন্তত অতীত পরিসংখ্যান তো তাই বলে। অবশ্য, ঠিক কি কারণে সাকিব কম বোলিং করছেন, সেই বিষয়ে এখনও কিছুই জানায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট।