ঈদযাত্রা শুরু হলেও যাত্রীদের চাপ নেই বাস কাউন্টারে

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রেল ও সড়কপথে ঈদযাত্রা শুরু হয় গতকাল সোমবার (২৪ মার্চ)। রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে ট্রেনের মতো বাসে তেমন ভিড় লক্ষ করা যায়নি। বাস কাউন্টারগুলো ছিল তুলনামূলক ফাঁকা।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় গাবতলী, কল্যাণপুর ও শ্যামলীর বাস কাউন্টারগুলো ঘুরে যাত্রীদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি। এর কারণ জানতে চাইলে এমআর পরিবহণের ম্যানেজার আব্দুল আলিম বলেন, এখনও ঈদ উপলক্ষে ভিড় বাড়েনি। যাত্রীরা যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের চাপ শুরু হবে ২৭ রমজান থেকে। তখন অতিরিক্ত ভিড় থাকবে।
হানিফ পরিবহণের কল্যাণপুর শাখার ম্যানেজার বলেন, ঈদের অগ্রিম টিকিট ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের যাত্রাও শুরু হয়েছে। এখন ভিড় একটু কম। তবে আগামী বুধবার (২৬ মার্চ) বা বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) থেকে চাপ বাড়বে।
গাবতলী-শ্যামলী ও কল্যাণপুরের কাউন্টারগুলোতে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের দেখা বেশি মিলে। তবে পিছিয়ে নেই দক্ষিণ অঞ্চলের পরিবহণ সেবাও। মিরপুর-১০, মিরপুর-১, কল্যাণপুর, শ্যামলীতে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের পরিবহণগুলোর দেখা মিলে।
নীলাচল ও হিমাচল পরিবহণের ম্যানেজার সিরজুল হক বলেন, যারা অগ্রিম টিকিট কিনেছেন, তারাই এখন যাচ্ছেন। স্ট্যান্ডবাই টিকিটের যাত্রী বাড়বে দুই দিন পর। ঈদ উপলক্ষে আমাদের বাসও বাড়িয়েছে মালিকরা।

কাউন্টারে আসা যাত্রীরা ভোগান্তিহীন সেবা ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাত্রা করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
পঞ্চগড়গামী যাত্রী ইসমত আরা সাথী বলেন, ‘আমি আরও সাত দিন আগে টিকিট কেটেছি। আগেই টিকিট কাটায় খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। অনলাইনে সহজে টিকিট কাটতে পেরেছি। কাউন্টারে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। যদি রাস্তায় কোনো ভোগান্তি না পাহাতে হয়, তাহলে ঈদযাত্রাটা আনন্দময় হবে।’
পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লম্বা ছুটির কারণেই এবার যাত্রী খরা। তারা আশা করছেন, দুই দিনের মধ্যে যাত্রীদের চাপ বাড়বে।