সিআইএ প্রধান ও রাশিয়ার নিরাপত্তা প্রধানের হঠাৎ দিল্লি সফর

কাবুল দখলের তিন সপ্তাহ পর মঙ্গলবার আফগানিস্তানে নতুন সরকার ঘোষণা করেছে তালেবান। তালেবান মন্ত্রিসভা গঠনের পরদিনই দিল্লিতে এসেছেন রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিকোলাই পাত্রশেভ এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) প্রধান উইলিয়াম জে বার্নস। খবর দ্য হিন্দুর।
রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং সিআইএ প্রধান পৃথকভাবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন।
আজ বুধবার দুপুরে দিল্লিতে বৈঠক করেন নিকোলাই পাত্রশেভ ও অজিত দোভাল। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন নিকোলাই।
এদিকে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, কয়েকদিন আগেই আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপরেই দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বলে সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
তবে বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে সেটা সংবাদমাধ্যমকে এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্র জানাচ্ছে, মূলত আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া অবশ্য আগেই তালেবান প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। এদিকে আফগানিস্তানে রাশিয়ার দূতাবাস বন্ধ করা হয়নি।

অন্যদিকে মঙ্গলবার অজিত দোভাল বৈঠক করেছেন সিআইএ প্রধান উইলিয়াম জে বার্নসের সঙ্গেও। বুধবার এ খবর জানা যায়। বুধবারও দিল্লিতেই আছেন উইলিয়াম। জানা গেছে, মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিআইএর প্রধানও মূলত আফগানিস্তান নিয়েই বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। যদিও ভারত এবং মার্কিন প্রশাসন এই বৈঠক নিয়ে একটি মন্তব্যও করতে চায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সফরের মূল লক্ষ্য আফগানিস্তান পরিস্থিতি।
সম্প্রতি কাবুলে তালেবানের সঙ্গে বৈঠক করেন সিআইএ প্রধান। মার্কিন নাগরিকদের উদ্ধার নিয়েই তিনি আলোচনা করেন বলে জানা গিয়েছিল। তালেবান মন্ত্রিসভা গঠনের পরদিনই তার ভারত সফরে আসা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।