এবার সিরিজ বাঁচানোর লড়াই

এই দলটিই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দারুণ সাফল্য পেয়েছিল। অথচ জিম্বাবুয়ে সফের গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ ওয়ানডে দল। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে বাজেভাবে হেরেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি তাই সিরিজ রক্ষার লড়াই। সিরিজে ফিরতে হলে এই ম্যাচটি জিততেই হবে বাংলাদেশকে।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ সময় দুপুর সোয়া ১টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ম্যাচটি জিতলে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাবে স্বাগতিকদের।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ২ উইকেটে ৩০৩ রান করেও ম্যাচটি জিততে পারেনি তারা। সিকান্দার রাজা অপরাজিত ১৩৫ রান করে জিম্বাবুয়েকে জয় এনে দেন।
আগের ম্যাচে আরও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে পারলে সংগ্রহ আরও বড় হতো, দলের জয় পাওয়া সম্ভব হতো বলে মনে করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের আরও ১৫ থেকে ২০ রান করা উচিত ছিল। আমরা এক উইকেটে ২৫০ রান করেছিলাম, বাকি সময়ে খুব একটা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে পারিনি, তাই সংগ্রহ আরও বড় করা যায়নি।’
শুধু তাই নয়, ফিল্ডিংও ভালো হয়নি। সহজ রান দেওয়ার পাশাপাশি চারটি ক্যাচও ফেলেছিলেন ফিল্ডাররা। ১০৯ বলে অপরাজিত ১৩৫ রান করা সিকান্দার রাজা ৪৩ রানে আউট হতে পারতেন। তাইজুল ইসলাম শর্ট কভারে তাঁর সহজ ক্যাচ ফেলে দেন।
দলের ফিল্ডিং সম্পর্কে তামিম বলেন, ‘প্রতিদিনই আমরা ক্যাচ নিয়ে কথা বলি, কিন্তু কোনো ফল হয় না। টি-টোয়েন্টিতেও আমরা প্রচুর ক্যাচ ফেলেছি। এই ধরনের ভালো উইকেটে যখন আপনি চারটি ক্যাচ ড্রপ করেন তখন জেতা কঠিন হয়ে যা। অনেক ম্যাচ জিততে পারিনি।’
‘দ্বিতীয় ম্যাচে আমাদের ফিল্ডিং নিয়ে ভাবতে হবে। আমাদের বাজে ফিল্ডিং জিম্বাবুয়ের জয় সহজ করে দিয়েছে। আর হারের পরে অনেক কিছু নিয়ে আঙুল তুলতে পারেন। ক্যাচ ড্রপ এবং বাজে ফিল্ডিং দলকে ফিছিয়ে দেয়।’
ওয়ানডের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরছিল বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৯টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে ৫০টিতে জিতেছে টাইগাররা। হেরেছে ২৯টিতে।
এদিকে আজকের ম্যাচে দুটি পরিবর্তন আসবে বাংলাদেশ দলে। এই ম্যাচে লিটন দাস ও শরিফুল ইসলামকে পাবে না টাইগাররা।
বাংলাদেশ দল : তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও তাইজুল ইসলাম।
জিম্বাবুয়ে দল : ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), রেগিস চাকাবভা (উইকেটরক্ষক), তানাকা চিভাঙ্গা, লুক জঙ্গি, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলে মাধভের, তাদিওয়ানশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টনি মুনিয়োঙ্গা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়ুচি, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা ও সিন উইলিয়ামস।