প্রত্যাবর্তনের আরেকটি গল্প লিখল রিয়াল মাদ্রিদ

প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখায় জুড়ি নেই রিয়াল মাদ্রিদের। ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে সেরা দলটি হারার আগে হার মানে না। আর ম্যাচ যদি হয় সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে, তাহলে প্রতিপক্ষ বলতে পারে কখন কী ঘটে যায়। বার্নাব্যুর ৯০ মিনিট যে বেশ দীর্ঘ। সেই দীর্ঘে সময়ে একটুখানি সুযোগ পেলে মোমেন্টাম বদলে দেয় লস ব্লাংকোরা।
স্প্যানিশ কোপা দেল রের সেমি ফাইনালে আজ বুধবার (২ এপ্রিল) সেটি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে রিয়াল সোসিয়েদাদ। ৮০ মিনিট পর্যন্ত যখন মাদ্রিদের বিদায় দেখছিল সবাই, তখনই ঘুরে দাঁড়ায় কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ৩-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ম্যাচ ড্র করে ৪-৪ গোলে। প্রথম লেগে প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে ১-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছিল মাদ্রিদ। সেটিই মাদ্রিদকে ফাইনালে তোলে।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকে সোসিয়েদাদকে চেপে ধরে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে মাদ্রিদ। তবে, ১৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে উঠে ঘরের মাঠের সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেন আন্দের বারেনেচিয়া। ৩০তম মিনিটে এন্দ্রিকের একক নৈপুণ্যে উল্লাসে মাতে বার্নাব্যু। খেলায় ফেরে সমতা।
দ্বিতীয়ার্ধে কোনোভাবেই আর এগিয়ে যাওয়া হচ্ছিল না স্বাগতিকদের। উল্টো ৭২ মিনিটে উল্টো আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ৮০ মিনিটে মিকেল ওয়াইরজাবাল গোল করলে ৩-১ গোলে পিছিয়ে যায় মাদ্রিদ।
এরপরই জেগে ওঠেন সাদা সৈন্যরা। ৮২ মিনিটে জুড বেলিংহাম ও ৮৬ মিনিটে চুয়ামেনি গোল করলে ম্যাচে ফেরে সমতা। কিন্তু, ৯৩ মিনিটে মিকেল দ্বিতীয় গোল করলে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
ম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকে যাচ্ছিল, ত্রাণকর্তা হন অ্যান্তোনিও রুডিগার। ১১৫ মিনিটে রুডিগারের গোলে উল্লাসে মাতে মাদ্রিদ শিবির। শেষ পর্যন্ত এটিই হয়ে রয় ম্যাচজয়ী গোল। শঙ্কা উড়িয়ে মাদ্রিদ ওঠে ফাইনালে।