ঢাবিতে নগর স্বাস্থ্যের ওপর ৪ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এবং ইউএনএফপিএ-এর যৌথ উদ্যোগে আজ রোববার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘বাংলাদেশের নগর স্বাস্থ্য’ বিষয়ক চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের চিফ অফ হেলথ ড. বিভাবেন্দ্র সিং রঘুবংশী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিভাগের অধ্যাপক এবং এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সার্বিক বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অতিদ্রুত নগরায়ণ দেশের নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসনে বর্তমান সরকার নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, বাংলাদেশ এখন দ্রুত নগরায়ণ, শিল্পের সম্প্রসারণ, ক্রমবর্ধমান আয় এবং অসংক্রামক রোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ লোক শহর এলাকায় বাস করে। শহর এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.৫ শতাংশ, যেখানে দেশের মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪ শতাংশের নিচে।
ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল আরও বলেন, দেশের বৃহত্তম নগরী রাজধানী ঢাকার জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ যেখানে অন্য ৫টি বিভাগীয় শহরের জনসংখ্যা ২৯ শতাংশ এবং ৩০৯টি পৌরসভা শহরের জনসংখ্যা ৩১ শতাংশ।
অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এবং ইউএনএফপিএ-কে ধন্যবাদ জানান। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নগর স্বাস্থ্য আইন প্রণয়নে এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে এর বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।