প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে ফ্রান্স

কাতারে জমজমাট হয়ে উঠেছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২২তম আসর। কেউ লক্ষ্য ভেদ করে সফলতার পাল্লা ভারি করছেন, কেউ চোখের জলে সিক্ত করছেন মরুর বুক। এবার কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড। মরুর সবুজ প্রান্তরে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ফ্রান্স।
শনিবার দিবাগত রাত ১টায় কাতারের আল বায়াত স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই তীব্র লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছিল দুদল। প্রথম আক্রমণ শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। ইংলিশ মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসনের পাসে স্ট্রাইকার ফিল ফোডেন বক্সের বাইরে থেকেই শট নিয়েছিলেন। তবে সেটি ফ্রান্সের প্রাচীর ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছিল।
আক্রমণের জবাবটাও ফ্রান্স দিয়েছিল ঠিকমতোই। ১১ মিনিটে ফরাসি স্ট্রাইকার উসমান ডেম্বেলের ক্রসে হেড দিয়েছিলেন অলিভিয়ার গিরুদ। একটু ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেছিলেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
তবে ১৭ মিনিটে ফরাসি মিডফিল্ডার অরেলিয়ান চৌমেনির ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটটি আটকাতে পারেননি পিকফোর্ড। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। গোলটিতে সহায়তা করেছেন অ্যান্টোইন গ্রিজম্যান। তবে মূল কারিগর কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি এই তারকা ওয়ান বাই ওয়ান পাসে বল নিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিলেন। নিজেই গোলমুখে শট নেওয়া বিপজ্জনক মনে করে বল বাড়িয়েছিলেন সতীর্থ গ্রিজম্যানের কাছে। গ্রিজম্যান দিয়েছিলেন চৌমেনির পায়ে। তার ফল হিসেবে এগিয়ে যায় ফ্রান্স।
গোল হজম করে পাল্টা আক্রমণে নেমেছিল ইংল্যান্ড। সমতায় ফিরতে বেশ কয়েকটি সুযোগও পেয়েছিল হ্যারি কেইনের দল। তবে সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। ২১ মিনিটে কেইনের শট থামিয়ে দিয়েছিলেন ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিস।
২৯ মিনিটে এসেছিল আরও সুবর্ণ সুযোগ। ফরাসি গোলের সামনে থেমেই ছিল বলটি, ইংলিশদের পায়ের ছোঁয়ায় গোলে ঢোকার অপেক্ষা করছিল। চারজন খেলোয়াড় লাইনে থাকলেও বলে পা ছোঁয়াতে পারেননি কেউ। ততক্ষণে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ সচল হয়ে বল পাঠিয়েছেন বিপদসীমার বাইরে। তাতে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যেতে হয়েছে ফুটবলের জন্মভূমি ইংল্যান্ডকে।
প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল গোল না পাওয়া ইংল্যান্ড। ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখে তাঁরা গোলমুখে নিয়েছিল ৫টি শট, যার মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে। আর ফ্রান্স বল রেখেছিল ৪২ শতাংশ। এমবাপ্পেরা গোলে শট নিয়েছিলেন তিনটি, এর মধ্যে দুটিই ছিল অন টার্গেটে।