বিশ্বকাপে সাফল্য পাওয়ার পথ বলে দিলেন সিডন্স

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে ফের কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন জেমি সিডন্স। বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পরামর্শক হয়ে আসা সিডন্স এরই মধ্যে নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। দ্বিতীয়বার দায়িত্বে এসে দুটি বিশ্বকাপে নজর দিচ্ছেন তিনি। একটি হলো চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, অন্যটি আগামী বছর ভারতে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দুই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সাফল্য পাওয়ার পথ বলে দিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ।
বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন সিডন্স। জানালেন, বাংলাদেশ দল ও বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা।
বিশ্বকাপে ভালো করা মন্ত্র জানিয়ে সিডন্স বলেন, ‘আমি দল নিয়ে পরীক্ষায় যেতে চাই না। আমাকে যেই দল দেয়া হবে তা নিয়েই কাজ করব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে ক্রিকেটারদের একটা তালিকা আছে। এই ফরম্যাটে ওদের উন্নতি করানোর ব্যাপারে কাজ করব।’
এরপর সিডন্স বলেন, ‘আমরা যদি অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে ভাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার হতে পারি তাহলে ভারতে বিশ্বকাপে পা দেয়ার আগেই ভাল ওয়ানডে দল হয়ে উঠতে পারব। আমরা জানি, বিশ্বকাপে জিততে হলে ভারতে আমাদের খুব বড় স্কোর করতে হবে। ২৬০-২৭০ রান করে ভারতে জেতা যাবে না। সেখানে ৩২০ করতে হবে।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে নিজের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেছেন সিডন্স। তিন ম্যাচ সিরিজে দুটিতে জিতে এরই মধ্যে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে শেষে টি-টোয়েন্টিতে তাদের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
কিন্তু আফগানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে জেতা খুব একটা সহজ হবে না। কারণ টি-টোয়েন্টি এখনো সেভাবে ভালো দল হয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ।
এ ব্যাপারে সিডন্স বলেন, ‘আফগানিস্তান সম্ভবত এই মুহূর্তে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে টি-টোয়েন্টিতে ভালো দল। আমরাও জানি এটা তাদের পছন্দের ফরম্যাট। বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স থেকে বের হয়ে আসতে আমাদের প্রথম চার ওভারে আগ্রাসী ক্রিকেট দেখাতে হবে। একই সঙ্গে আমাদের শেষটাও হতে হবে দারুণ। আফগানিস্তানকে হারাতে আমাদের অতি দ্রুত রান তুলতে হবে। টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লে গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে শেষটা আরেকটু ভালো করতে পারলেই বড় স্কোর চলে আসবে। আমরা শেষ ম্যাচগুলোতে এই কাজগুলো ভালো করতে পারিনি।’