কাশ্মীর ইস্যুতে মোদির পদক্ষেপে দেশের বদনাম হয়েছে : মমতা

ভারতের কেন্দ্রীয় মোদি সরকার ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছিল তাতে দেশের কোনো উপকার হয়নি। এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লিতে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জম্মু-কাশ্মীরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সেই সময় কলকাতার মুখ্য প্রশাসনিক ভবন নবান্ন থেকে কাশ্মীর ইস্যুতে এভাবেই কেন্দ্রের সরকারের সমালোচনা করেন মমতা।
এদিন মমতা বলেন, ‘কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে নরেন্দ্র মোদির পদক্ষেপের জেরে কী লাভ হয়েছে জানি না। ওই পদক্ষেপের পর কাশ্মীরে কোনো পর্যটকেরা যেতে পারেননি।’
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার ভ্যাকসিন ইস্যুতে যেমন দেশ বদনামের ভাগী হয়েছে মোদির পদক্ষেপের জেরে, তেমনই কাশ্মীর ইস্যুতে মোদির পদক্ষেপের জেরে দেশের বদনাম হয়েছে।
কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে মোদির সিদ্ধান্তকে মমতা এদিন একনায়কতন্ত্রের তকমা দেন। মমতা জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দাদের স্বাধীনতার বিষয়ে বলেন, ‘আজাদি আগার ছিনকে লেতা হ্যায়, তো সাব আজাদি চালা যাতা হ্যায় (স্বাধীনতা যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তবে সব স্বাধীনতা চলে যায়)।’
মমতা এদিন প্রশ্ন ছুড়ে দেন, জম্মু-কাশ্মীরের স্টেটহুড ছিনিয়ে নেওয়ার কী কারণ ছিলো? তবে দিল্লিতে কাশ্মীর ইস্যুতে সর্বদলীয় বৈঠক প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্যই করতে চাননি মমতা। তিনি জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সর্বদলের বৈঠক নিয়ে তাঁর কোনো ধারণা নেই।